হালদার নদীতে এখন কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন মৌসুম

বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টি হলে জোয়ার কিংবা ভাটার সময় নদীতে কার্প জাতীয় মা মাছ পুরোদমে ডিম ছাড়ে।  গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সংগ্রহকারীদের কেউ কেউ ৫০ থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত ডিম পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ মাসের শুরু থেকে পূর্ণ প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় নদীতে অপেক্ষায় ছিলেন ডিম সংগ্রহকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা, কারণ বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টি হলে  জোয়ার কিংবা ভাটার সময় নদীতে মা মাছ পুরোদমে ডিম ছাড়া শুরু করতে পারে। তারা দেখেছে নদীতে মা মাছের আনাগোনা শুরু হয়েছে। 

রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের আজিমেরঘাট, পশ্চিম কাগতিয়া এবং হাটহাজারীর গড়দোয়ারা ইউনিয়নের নয়াহাট ও মাছুয়াঘোনা খাল এলাকায় অপেক্ষায় থাকা সংগ্রহকারীদের একেকজন ৫০ থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত ডিম পেয়েছেন।

গত কয়েক দিনে সরেজমিনে দেখা গেছে, দুই উপজেলার ৪টি সরকারি হ্যাচারি ও ১৪৫টি মাটির কুয়ায় রেণুপোনা ফুটানোর জন্য নানা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন প্রশাসন ও সংগ্রহকারীরা। প্রশাসন ও নদীর গবেষকদের ধারণা, এবার নদীর পরিবেশ গত ২০ বছরের মধ্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। এ কারণে এবার ডিম সংগ্রহের পরিমাণ বাড়তে পারে। তবে এ বছর দীর্ঘ সময় থেকে বৃষ্টিপাত বন্ধ থাকায় শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ, ডিম ছাড়তে মা মাছ বজ্রপাত আর বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকে। প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র ও বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ চট্টগ্রামের হালদা নদীতে একাধিক স্থানে কার্প–জাতীয় (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস) মা মাছ ‘নমুনা ডিম’ দিয়েছে।

 

 

Sharing is caring!

Related Articles

Back to top button