পদ্মায় অনুমোদনহীন বালু উত্তোলনের বাল্কহেড

গতকাল সোমবার মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথের কাঠালবাড়ি এলাকায়  এই বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডে ধাক্কা লেগে ২৬ যাত্রী মারা গেছেন। এর আগেও ৫ এপ্রিল নড়িয়ায় দুটি বাল্কহেডে ধাক্কা লেগে এক শ্রমিক মারা গেছেন। পদ্মা নদীর কিছু এলাকাজুড়ে কয়েকশ অবৈধ বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল করে, যার অধিংকাশেই পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে তোলা বালু পরিবহন করে।  মানুষ পারাপারের এই পথে বালুবোঝাই বাল্কহেড কিভাবে ছাড়পত্র পায় এই নদীতে?

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা নদী ঘিরে এ বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা। অবৈধ বালু উত্তোলন ও অনুমোদনহীন বাল্কহেড বন্ধ করতে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। অথচ মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন, নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের জন্য কোনো বালুমহাল ইজারা দেওয়া হয়নি। যেখানেই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, তা অবৈধভাবে।

নদীতে চলাচলের জন্য কোনো নৌযান তৈরি করার আগে নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নিতে হয়। এরপর তার ফিটনেস পরীক্ষা করে অনুমোদন দেয় সংস্থাটি। পণ্যবাহী ওই নৌযানগুলোকে যাত্রী পারাপারের নৌপথ এড়িয়ে সতর্কভাবে চলাচলের শর্ত দেওয়া থাকে। কিন্ত ওই ৫০ কিলোমিটার নৌপথে যে বাল্কহেড চলাচল করছে, তার অধিকাংশেরই অনুমোদন নেই। এই বিষয়টা খতিয়ে দেখা দরকার বর্তমান সরকারের।

Sharing is caring!

Related Articles

Back to top button