বিশ্ব উষ্ণায়ন কমাতে হাইড্রোজেন ফুয়েল গাড়ি আসছে বাংলাদেশে

গ্যাস বা কয়লা একদিন ফুরিয়ে যাবে আমাদের দেশ থেকে তখন কি করা হবে সেই বোধ থেকেই বিকল্প হিসেবে ২০২১ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাইড্রোজেন চালিত গাড়ি বাংলাদেশে আনা হবে। পর্যায়ক্রমে হাইড্রোজেন গাড়ির প্রসারতা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।

সবচেয়ে বড় কথা ফসিল ফুয়েল অর্থাৎ কয়লা, পেট্রোল, ডিজেল যত বেশি পোড়ানো হয় প্রকৃতিতে কার্বন বেড়ে যায়, আর এর জন্যই ঘটে জলবায়ুর পরিবর্তন। সামগ্রিকভাবে দেখতে গেলে বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রের জলস্তর যেমন বৃদ্ধি পায়। তবে হাইড্রোজেন জ্বালানি পরিবেশ বান্ধব। বায়ু ও পানি থেকে এই জ্বালানি তৈরি করা যায়। এই ব্লু গ্যাস বা হাউড্রোজেন দিয়ে গাড়ি চলছে বেশ ক’বছর ধরেই। ২০১৫ সাল থেকে হাইড্রোজেন চালিত গাড়ি চলছে যুক্তরাষ্ট্র ও আরো কয়েকটি উন্নত দেশের সড়কে।

সোমবার নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি)-এর টেকসই ও নবায়নযোগ্য কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) আয়োজিত ‘প্রোসপেক্ট অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস অব হাইড্রোজেন ফুয়েল ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, গ্যাস বা কয়লা একদিন ফুরিয়ে যাবে তার  বিকল্প চিন্তা ভাবনা করতে হবে।

এ সময় অন্যান্য বক্তারা বলেন,  যেহেতু বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও বায়োমাস আছে। আর এ পানি ও বায়োমাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে অসংখ্য ইউনিট হাইড্রোজেন উত্পাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশে কাঁচামাল হিসাবে এ দুটির সফল ব্যবহারের মাধ্যমে একটি মজবুত জ্বালানি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি (সৌর, উইন্ড ও হাইড্রো) সাধারণত বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় অন্যথায় সম্ভাবনাময় হাইড্রোজেন জ্বালানি হিসাবে দেশকে স্বনিভর্র করতে সক্ষম।

Sharing is caring!

Related Articles

Back to top button