‘নতুন করোনা ভাইরাসের সঙ্গে মিল থাকা জিনোমের উপস্থিতি বাংলাদেশে’

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরনের সঙ্গে মিল আছে এমন জিনোমের উপস্থিতি পাওয়া গেছে দেশে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)।

বৃহস্পতিবার সকালে সংস্থাটি এই তথ্য জানায়। বিসিএসআইআর-এর বিজ্ঞানীরা গত মাসে ১৭টি নতুন জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা চালিয়েছিলেন এই ১৭টি জিনোমের পাঁচটিতে নতুন ধরনের এই করোনাভাইরাসের স্ট্রেইন শনাক্ত করেন তারা।

এর আগে ব্রিটেনে সন্ধান মেলা করোনা ভাইরাসের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি সংক্রামক ভাইরাস প্রজাতির সন্ধান মিলল দক্ষিণ আফ্রিকায়। দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটিয়েছে এই নতুন প্রজাতির করোনা ভাইরাস। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সম্ভবত আরও বড় দ্বিতীয় ঢেউয়ের মুখোমুখি হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, নতুন প্রজাতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটেনের স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক। তাঁর দাবি, সম্প্রতি সন্ধান পাওয়া এই প্রজাতি অভিযোজনের কারণে ব্রিটেনের প্রজাতির চেয়েও অনেক গুণ বেশি সংক্রামক এবং সক্রিয়। প্রচণ্ড দ্রুতগতিতে তা ছড়াচ্ছে। তাই লকডাউনের বিধি আরও কঠোর করছে ব্রিটেন।

এই ভাইরাসে সংক্রমিত দুই ব্যক্তি এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের বিশেষ কোয়ারান্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করেছে ব্রিটিশ সরকার। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে যাতায়াতের সব রকম সংযোগ ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৫ দিনে যারা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরেছেন এবং তাঁদের সংস্পর্শে আসা সবাইকে অবিলম্বে কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ব্রিটিশ প্রশাসন। এই নতুন প্রজাতিকে বিশ্লেষণ করাও চলছে।

করোনা ভাইরাসের নতুন রূপের সংক্রমণ ঠেকাতে ও পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে লন্ডন ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। জারি হয়েছে ‘টায়ার ফোর’ লকডাউন। তার মধ্যেই সেই আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে তুলছে দক্ষিণ আফ্রিকার এই নতুন করোনা ভাইরাস।

Sharing is caring!

Related Articles

Back to top button