Saturday, 15/8/2020 | : : UTC+6
Green News BD

করোনাভাইরাস, জীবানু মারণাস্ত্র এবং বৈশ্বিক নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ(২)

করোনাভাইরাস, জীবানু মারণাস্ত্র এবং বৈশ্বিক নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ(২)

ফরহাদ মাজহার: চিন ছাড়া আর দুটি দেশ মৃত্যু হার প্রাদুর্ভাবের দিক থেকে করোনাভাইরাসে ভীষণ ভাবে আক্রান্ত: একটিইটালি, আরেকটি ইরান। ইরান করোনাভাইরাসে অতিশয় আক্রান্ত তিনটি দেশের একটি। ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতারপরামর্শদাতাদের একজন আয়াতুল্লাহ হাশেম বাথায়ি গোলপায়েগানি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ডাক্তারি পরীক্ষায়নিশ্চিত হবার দুই দিনের মধ্যেই মারা গিয়েছেন। ইরানের রেভুলিউশনারি গার্ড কোরের একজন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেলনাসের শাবানি কোভিড১৯ সংক্রমণে মারা গিয়েছেন। ইরানে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে, যখন লেখা লিখছি, ৮৫০ ছাড়িয়েগিয়েছে।

বাংলাদেশ ভয়ংকর বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। সরকারি সংক্রমণ সরকারী পর্যায়ে অস্বীকার করবার প্রবণতা আমরা শুরু থেকেইলক্ষ্য করছি। সংক্রমণ শনাক্তকরণের কোন বিধিবদ্ধ ব্যাপক ব্যবস্থা নাই। আমরা আসল পরিস্থিতি ঠিক কী, জানি না। জানারকোন উপায় নাই। জনস্বাস্থ্যের প্রতি উদাসীনতার যে অবিশ্বাস্য মাত্রা আমরা লক্ষ্য করছি, তা ভয়ংকর। এর জন্য বাংলাদেশেরউন্নয়ন সহযোগী দ্বিপাক্ষিক সহযোগীরাই প্রধানভাবে দায়ী। তারাই সরকারের এই ধরণের আচরন টিকিয়ে রেখেছে।

সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করলে সারা পৃথিবীর জন্য হুমকি হয়ে উঠবে। এর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দায়ী। কারন তাদের তরফ থেকেসরকারের ওপর কোন চাপ দেবার লক্ষণ আমরা দেখছি না। এতে তথ্য লুকিয়ে রাখবার সুবিধা হচ্ছে। তথাকথিত উন্নয়নসহযোগীদের তরফ থেকে কোন উচ্চবাচ্য নাই। সরকার টিকিয়ে রেখেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বহুপাক্ষিক সংগঠন। কাঁটাতারেরবেড়ার মধ্যে বাংলাদেশের জনগণকে করোনাভাইরাসে মারবার প্রস্তুতিই চলছে যেন! ভয়াবহ।

মনে রাখবেন, পরিস্থিতি এমন যে করোনাভাইরাস জৈব মরণাস্ত্র হোক না হোক অসম বিশ্বব্যবস্থায় সংক্রমণের মাত্রা ক্ষতিআপনাকেই বহন করতে হবে। বিশ্বব্যাপী প্রাণ, প্রকৃতি পরিবেশের বিনাশ, ভারসাম্যহীনতা অব্যবস্থাপনার শিকার হবেনআপনি। ল্যাবরেটরিতে তৈরি না হলেও প্রকৃতি ধ্বংস করলে তার প্রতিশোধ মহামারী মড়ক ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকৃতি নিয়ে থাকে।আপনি ক্ষমতাসীন সরকার এবং পাশ্চাত্য শক্তিগুলোর চোখে স্রেফ সংখ্যা মাত্র। মানুষ না। আপনি বাদুড়ের মতোকরোনাভাইরাস বহনকারী জীব। কিন্তু আপনার কোন হুঁশ নাই।

আমাদের বেহুঁশ হাল অজ্ঞানতার সুযোগে ক্ষমতাসীনরা তথ্য লুকাচ্ছে। এই বিপর্যয় থেকে মানুষ রক্ষা করবার কোনই প্রস্তুতিতাদের নাই। মানুষ মরে কি বাঁচে তাতে কারুরই মাথাব্যথা নাই।একটি লুটেরা, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থা দিল্লিওয়াশিংটনলণ্ডনব্রাসেলস টিকিয়ে রেখেছে, পিকিং অর্থনৈতিক ফায়দা তুলে নিচ্ছে। কিন্তু আপনার নিজের বিপদ সম্পর্কে আপনার নিজেরই কিকোন হুঁশ আছে?

করোনাভাইরাস সম্পর্কে আমরা শুধু ইউরোপিয়ানদের ভাষ্য শুনি, তাদেরই তথ্য, বিশ্লেষণ, দাবি আর পালটা দাবি শু্নি। কিন্তুইরান করোনাভাইরাস সংক্রমন সম্পর্কে কি বলে আমরা শুনি না। কারন সেখানে শিয়া ইমামরা ক্ষমতায় আছেন। আমরাতাদের পছন্দ করি না। করোনাভাইরাইস শিয়া সুন্নি ভেদ করতে পারে কিনা সেই গবেষণার কোন খবর আমার জানা নাই।আপনি ইরান শুনছেন না। একেপ্রপাগাণ্ডাবলছেন, কিম্বা বলছেন মার্কিনিরা যেমন পণ্ডিতি করে বলে থাকেল্যাকিংএভিডেন্স

এতে আপনার কথায় একটা বৈজ্ঞানিক নিরপেক্ষতার ভাব আসে, কিন্তু আপনাকে বিশুদ্ধ বেকুব ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না।মনে রাখবেন ষোল বা সতেরো শতাব্দির বিজ্ঞানের কেচ্ছা শুনে বিজ্ঞান সম্পর্কে আপনি যে নির্বিচার ধারণা গড়ে তুলেছেন সেটাস্রেফ অন্ধ বিশ্বাস। যেমন, বিজ্ঞান আর কৃৎকৌশল মানেই দেশকালপাত্র ভেদে সবসময়ই সত্য এবং মঙ্গল। এই নির্বিচারঅনুমানকেইঅন্ধ বিশ্বাসবলা হয়। অন্ধ বিশ্বাস ত্যাগ করুন। আপনার মাথা বিগড়ে আছে। নিজের প্রতিরক্ষার কথা ভাবুন।

ঠিক আছে না হয়অন্ধ বিশ্বাসবললেন না। কিন্তু একালেবিজ্ঞাননামক ধারণা আসলেইডিওলজি আপনাকে নিয়ন্ত্রণকরবার মতাদর্শিক হাতিয়ার। দেখুন, ‘ধারণাবলেছি, বিজ্ঞান বা কৃৎকৌশল আমাদের মঙ্গল করে নাকি মন্দ, সেটা সুনির্দিষ্টবিজ্ঞান কৃৎকৌশল পর্যালোচনা করেই করতে হবে। বিজ্ঞান মানেই ভালো, কৃৎকৌশল মানেই ভালএই গড়ে হরিবোল ধারণাইডিওলজি তাই বিজ্ঞানের যে স্পিরিটঅর্থাৎ প্রত্যক্ষ ভাবে জগতকে জেনে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে কোন একটি অনুমান, প্রস্তাবনা বা থিসিস সম্পর্কে সিদ্ধান্তে আসাসেই স্পিরিট এখন তলানিতে। বিজ্ঞানের জগত দখলে নিয়েছে বহুজাতিককোম্পানি, মারণাস্ত্র ইন্ড্রাস্ট্রি এবং পরাশক্তি দেশগুলোর প্রতিরক্ষা বিভাগ। এর বাইরে সত্যিকারের বিজ্ঞানের নিজস্ব ক্ষেত্র লড়াই আছে। প্রাণ, পরিবেশ প্রকৃতি সুরক্ষার বিজ্ঞান যেমন, যার ভিত্তি হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে উঠেছে। সেই বিজ্ঞানেআমাদের বিজ্ঞানী হয়ে উঠতে হবে। আমাদের দরকার উন্নত গণপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে লোকায়ত চর্চা, প্রজ্ঞা, বিজ্ঞান, নীতিনৈতিকতা এবং দূরদৃষ্টি অর্জন প্রধান ভূমিকা রাখবে। কারণ এই অসম বিশ্বে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। ইঁদুরের মতো মুখেফেনা তুলে মরে গেলে চলবে না।

মানুষের সকল কর্মকাণ্ডই নৈতিক পর্যালোচনা সাপেক্ষে বিচার্য। কারণ মানুষ জন্তুজানোয়ার না। কিন্তুবিজ্ঞাননামকইডিওলজির নামে আপনার নৈতিক জীবন অস্বীকার করা যায়। বিজ্ঞানের কাজ কি শুধু ভোগী মানুষের ভোগের চাহিদা মেটানো? নৈতিকতার জায়গা থেকে বিজ্ঞান কৃৎকৌশলের পর্যালোচনা জরুরী, এই অতি প্রাথমিক কর্তব্য থেকে মানুষ সরে এসেছে।বিজ্ঞান কৃৎকৌশল মানেই কোন প্রকার বিবেচনা ছাড়াই ভালোএই মহা মূর্খতার প্রচার আধিপত্য এমনই বেড়েছে যেআপনি বুঝতেই পারছেন না বিজ্ঞান কৃৎকৌশল এখন দুনিয়ার অল্পকিছু বহুজাতিক কোম্পানি এবং মারণাস্ত্র তৈরির ইন্ড্রাস্ট্রিরপ্রায় একচেটিয়া হয়ে গিয়েছে।

ভুলে যাবেন না, প্রথম পারমাণবিক বোমা হিরোশিমা নাগাশাকিতে মেরে তার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছিল। হয়তোকরোনাভাইরাস তার ব্যাতিক্রম নয়। মানুষের ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। বাংলাদেশের মানুষের ওপর ব্যাপক পরিক্ষানিরীক্ষাকরা খুবই সহজ। তাই একদিকে বিপর্যয় থেকে সুরক্ষার প্রস্তুতি যেমন দরকার, তেমনি ইরানিদের দাবিপ্রপাগান্ডাহোক বা নাহোকআমি শোনার পক্ষপাতি। সত্যও হতে পারে। করোনাভাইরাস দুনিয়ার প্রধান এক নম্বর মারণাস্ত্র উৎপাদক দেশ মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের একটি জৈব মারণাস্ত্র (Biological Weapon) প্রপাগান্ডা বলে এখন উপেক্ষা করতে পারেন, কিন্তু যখ্ন আপনিজানবেন তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে।

আধুনিক পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়নের কালে বিজ্ঞাননিরপেক্ষনয়। বিজ্ঞানের আবির্ভাব ঘটেছিল বুদ্ধি বিচারবিবেচনা দিয়েআমাদের পরিদৃশ্যমান জগত বা প্রকৃতির ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের দরকারে। কারণ জানার পিপাসা মানুষের মজ্জাগত। কিন্তু সেইজানা কখনই স্রেফ জানার জন্য জানা ছিল না। সেই জানাকে মঙ্গল বা কল্যাণের দিকে প্রবাহিত করা প্রবাহিত রাখা সবচেয়েকঠিন কাজ। মানুষের জানার পিপাসা এখনও তীব্র, কিন্তু তার ওপর আধিপত্য এসেছে মোটা দাগে দুটো ধাপে। প্রথম ধাপে ঘটেছেজানা বোঝার জগতে মানুষের নৈতিক ভূমিকা নির্ণয়ের কর্তব্য ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানকে স্বয়ং অধিপতি হয়ে উঠতে দেওয়ার মধ্যে।জানা বা বোঝার চেয়ে বিজ্ঞান কৃৎকৌশল হয়ে উঠেছে স্রেফ জগত বা প্রকৃতির ওপর মানুষের আধিপত্য কায়েমের হাতিয়ার।মানুষই সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দু, অন্য কোন প্রাণী, জীব, অণূজীব না, মানুষের জন্যই দুনিয়াএই চিন্তা একটি অসুস্থ জগত তৈরিকরেছে। দুনিয়া মানুষের ভোগ্য বস্তু কেবল। দুনিয়ার একমাত্র কাজ মানুষের ভোগে লাগা। তাই মানুষের মধ্যে এই চিন্তা প্রবলহয়েছে যে প্রকৃতির ওপর মানুষের আধিপত্য কায়েম করতে হবে, যে কোন মূল্যে। বিজ্ঞান কৃৎকৌশল, বিশেষত ইন্ড্রাস্ট্রিয়ালসভ্যতা (?) কিভাবে প্রকৃতির প্রাণব্যবস্থার ক্ষয় ঘটাচ্ছে, খোদ প্রকৃতিরই সর্বনাশ ঘটাচ্ছে সেই দিকে কেউ ফিরেও তাকায় নি। অতিসম্প্রতিকালে প্রকৃতি পরিবেশ নিয়ে কিছুটা হুঁশ তৈরির চেষ্টা চলছে।

দ্বিতীয় ধাপে বিজ্ঞান এসেছে মানুষের দেহ, চেতনা এবং আচার আচরণ নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়নের কালেবিজ্ঞানের এই রূপ প্রবল ভাবে সামনে হাজির হয়েছে। যাকে আমরা মনোবিজ্ঞান বলি বা সেটা এখন হয়ে গিয়েছে বিহেভিয়ারালসায়েন্স। মানুষের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের বিজ্ঞান। এরপর এসেছে ডিজিটাল টেকনলজি, ইন্টারনেট, স্মার্ট ফোন, গ্লোবাল পজিশানিংসিস্টেম, ইত্যাদি। আপনি এখন সার্বক্ষণিক নজরদারির অধীন। এরপর রয়েছে বায়োটেকনলজি জেনেটিক ইঞ্জিনীয়ারিং।এসেছে প্রাণকোষ বদলে দেওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং। প্রকৃতি স্বাভাবিক ভাবে যে প্রাণ তৈরি করে তারজিনবা গঠন সংকেত বিকৃত করেসেই সকল অস্বাভাবিক জীব, অণূজীব প্রাণ তৈরি করা, যাতে খোদ প্রাণ এখন বহুজাতিক কোম্পানির নিয়ন্ত্রণের বিষয় হয়েওঠে। অল্পকিছু বহুজাতিক কোম্পানি নিজেদের মধ্যে সারা দুনিয়াকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবার তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু করেছে।জিন বা প্রাণের গঠন সংকেত এখন বহুজাতিক কোম্পানির নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র। এই নতুন বাস্তবতা মাথায় রেখেকোভিড১৯ নিয়ে ভাবুন। খামাখা আতংকিত হয়ে কোন ফল হবে না।

এই যখন বিশ্ব পরিস্থিতি তখন ইরানের ইসলামি রেভুলিউশনারি গার্ড কোর (Islamic Revolutionary Guard Corps)-এরকমাণ্ডার হোসেন সালামি মার্চের তারিখে বলেছেন, করোনাভাইরাস মার্কিন জৈব মারণাস্ত্র হতে পারে। আমরা তাঁর কথাকে তাইফেলে দিচ্ছি না। যারাল্যাকিং এভিডেন্সবলে জৈব মারণাস্ত্রের তর্ক এড়িয়ে যেতে চাইছেন, কমান্ডার হোসেন সালামির বক্তব্যতার বিপরীতে। ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থার (ISNA news agency) খবর অনুযায়ী তিনি বলেছেন:

আজ আমাদের দেশ একটি জৈব যুদ্ধে অবতীর্ণ। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা জিতব, যা মার্কিনদের তৈরি জৈবহামলা হতে পারে, যা প্রথমে চিনে ছড়িয়েছে, এরপর সারা দুনিয়ায় রাশিয়ার সোশাল মিডিয়াও মার্কিনিদের বিরুদ্ধে একইঅভিযোগ তুলছে। গুজব বলুন কিম্বা প্রপাগান্ডা, চিনাদের জৈব মারণাস্ত্র তৈরির ল্যাবরেটরি থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছেএই প্রচারও রয়েছে। বিপরীতে করোনাভাইরাসেরজেনোমবা গঠন সংকেত বিচার করে বিজ্ঞানীরা বলছেন এটি মানুষের তৈরিবলে মনে হয় না। অর্থাৎ ল্যাবরেটরিতে বানানো হয়েছে সেটা প্রমাণ করা কঠিন।

ইরান কিন্তু গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর। এটা গুজব নয়। একটি সম্ভাবনা। সাইবার পুলিশ কমাণ্ডার বাহিদ মজিদলোকজনদের গুজব ছড়ানোর জন্য ধরছেন। অনেককে ওয়ার্নিং দিচ্ছেন। ইরানে সাইবার পুলিশ আছে।

আমরাও গুজবের বিরুদ্ধে। কারন জৈব মারণাস্ত্র হোক বা নাহোক, মানুষ বাঁচানোই এখন ফরজ কাজ।

কিন্তু জৈব মারণাস্ত্রের অভিযোগ ভুলতে আমরা রাজি না। কারন ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেবার জ্ঞান আমাদের কিছুটা হলেওআছে।

লেখক: গবেষক লেখক

Sharing is caring!

Advisory Editor
Kazi Sanowar Ahmed Lavlu
Editor
Nurul Afsar Mazumder Swapan
Sub-Editor
Barnadet Adhikary 
Dhaka office
38 / D / 3, 1st Floor, dillu Road, Magbazar.
Chittagong Office
Flat: 4 D , 5th Floor, Tower Karnafuly, kazir deori.
Phone: 01713311758

পুরানো খবর

আগস্ট 2020
শনি রবি সোম বুধ বৃহ. শু.
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

ছবি ঘর

    WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com