Monday, 25/5/2020 | : : UTC+6
Green News BD

করোনার মত আরও অনেক মহামারি মানুষকে মোকাবেলা করতে হবে, যদি মানুষ তাঁর উন্নয়ননীতি না বদলায়

করোনার মত আরও অনেক মহামারি মানুষকে মোকাবেলা করতে হবে, যদি মানুষ তাঁর উন্নয়ননীতি না বদলায়

অনেক রোগের জীবাণু আর্কটিক বরফে ফ্রোজেন অবস্থায় আছে। জলবায়ুর উষ্ণায়ন এদের আবার জীবিত করছে।

২০০৫ সালে এই রকম একটি ব্যকটেরিয়া জীবন পেয়েছে, ল্যাবরেটরিতে,  ৩২ হাজার বছর আগের জীবাণু। ২০০৭ সালে একটিবাগ জীবন পেয়েছে যার বয়স ৮০ লক্ষ বছর। একজন রুশ বিজ্ঞানী ৩৫ লক্ষ বছর আগের এরকম একটি জীবাণু নিজের শরীরেঢুকিয়ে বুঝতে চেয়েছিল কি ঘটে? ভদ্রলোক বেঁচে আছে।

২০১৮ সালে বিজ্ঞানীরা একটি বড় কীটকে জীবিত করেছে, যার বয়স ৪২ হাজার বছর।   

যেহেতু আমরা এদের অনেক পরে জন্মেছি, আমাদের ইমিউনিটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এদের চেনেনা, ফলে প্রতিরোধ করতেওপারেনা।

আর্কটিকে ফ্রোজেন অবস্থায় অনেক জীবাণু আছে। আলাস্কাতে একটি ফ্লু (করোনার মত) আবিষ্কার করা হয়েছে যা ১৯১৮সালের মহামারির জন্য দায়ী, পৃথিবীর কোটি লোকের মৃত্যু ঘটিয়েছিল।

২০১৬ সালে একটি ছেলে মারা যায় যে এনথ্রাক্স এর কারণে, সেটি একটি  হরিণের দেহ থেকে। ফ্রোজেন এই হরিণটি বরফের নিচেছিল। গরমের সময় জীবাণু সক্রিয় হয় সংক্রমণ ঘটায়। এই হরিণ ছিল ৭৫ বছর আগের মহামারিতে মরে যাওয়া প্রায় হাজারহরিনের একটি।

পরিবেশ দূষণ উষ্ণতার ফলে দুইটা জিনিষ ঘটতেছে। একটি হচ্ছ, পুরনো সব রোগ জীবাণু বের হয়ে বেঁচে উঠছে। দ্বিতীয়টিহচ্ছে, এরা দ্রুত বিবর্তিত হছে। মানে, নোতুন প্রজন্মের রোগ জীবাণু জন্ম নিচ্ছে।

পুঁজিবাদী বিশ্বায়নের ফলে, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করার সাথে সাথে আরেকটি ঘটনা ঘটছে। সেটা হল দেশান্তর। এক দেশথেকে অন্য দেশে যাওয়া, নানা কারণে। ইউরোপে যে মহামারিব্ল্যাক ডেথযা প্রায় ৬০% ইউরোপীয়দের মেরে ফেলেছিল। সেটাএখন হলে, সারা দুনিয়ার কত ভাগ মানুষ মারতে পারতো?

সবচেয়ে খারাপ সংবাদ হচ্ছে, অনেক জীবাণু শরীরে হয়ত অনেক দিন ধরে বাস করছ, কিন্তু পরিবেশের ভারসাম্য পরিবর্তিত হলে, এদের কেউ কেউ প্রাণঘাতী হতে পারে।

মানুষ যেউন্নয়ননীতিতে আছে। এই উন্নয়ন নীতি প্রবৃদ্ধি মুনাফা কেন্দ্রিক। সবকিছু বাজারের হাতে দেয়ার নামে, আসলেএকটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে। এই ব্যবস্থার অনেক দালাল, অনেক চাকর, অনেক নির্বোধ অনুসারী রয়েছে, স্রেফব্যক্তিগত ভোগলালসার চিন্তায়।

মানুষের সাথে প্রকৃতির দ্বন্দ্ব মৌলিক। কিন্তু আমাদের আদি সাম্যবাদী পুর্ব নারীরা (আমরা জন মায়ের বংশধর) প্রকৃতির সাথেএকটি সিম্বায়টিক সম্পর্কে ছিলেন। মুল নীতি ছিল,শেয়ারিং, কেয়ারিং সিম্বায়োটিক সম্পর্কঃ মানুষ নিজেদের প্রকৃতিরসাথে।

করোনার মত আরও অনেক মহামারি মানুষকে মোকাবেলা করতে হবে, যদি মানুষ তাঁর উন্নয়ননীতি না বদলায়। যে উন্নয়ননীতিশ্রেণি পিতৃতান্ত্রিক অসভ্যতায় চালিত। মানুষকে বাঁচতে হলে, আবার সেই ঐতিহাসিক, আদি সভ্যতার মূল্যবোধে ফিরে যেতেহবেঃ সহভাগিতা, যত্নশীলতা পারস্পরিক সাম্যের লেনদেনের সম্পর্ক। মানুষের নিজেদের সাথে যেমন, তেমনই প্রকৃতির সাথেও, সভ্য সম্পর্কে যেতে হবে।

খান আসাদ

লেখক

Sharing is caring!

Advisory Editor
Kazi Sanowar Ahmed Lavlu
Editor
Nurul Afsar Mazumder Swapan
Sub-Editor
Barnadet Adhikary 
Dhaka office
38 / D / 3, 1st Floor, dillu Road, Magbazar.
Chittagong Office
Flat: 4 D , 5th Floor, Tower Karnafuly, kazir deori.
Phone: 01713311758

পুরানো খবর

মে 2020
শনি রবি সোম বুধ বৃহ. শু.
« এপ্রিল    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

ছবি ঘর

    WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com