Monday, 30/3/2020 | : : UTC+6
Green News BD
তাজা খবর
ticket title
রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি দূর্গম এলাকায় মাক্স বিতরণ ও জীবাণুনাশক পানি ছিটালো ছাত্রলীগ
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৩০ হাজার অতিক্রম
লকডাউনে জনশূন্য চট্টগ্রাম
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিললো করোনা রোগী
করোনা ঠেকাতে সেনাবাহিনী নিয়ে মাঠে প্রশাসন
প্রাণঘাতী করানোর সংক্রমণ ঠেকাতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ
জেলা প্রশাসকদের আর্থিক সহয়তা খাদ্য দেওয়ার নির্দেশ
কোয়ারেন্টাইনে থাকাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ না পেলে সুস্থতার জন্য আমরা নিজেরা কী করব
করোনা রোধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক (জীবানুনাশক) মিশ্রিত পানি ছিটানো হচ্ছে

ডেঙ্গুতে আরো পাঁচজনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরো পাঁচজনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরো পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। প্রতিষ্ঠানটি ডেঙ্গুতে সম্ভাব্য মৃত্যুর তথ্য পর্যালোচনা করে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ৫৭ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে। এ পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে আসা ১৮৫ জনের মৃত্যুর তথ্যের মধ্যে মোট ৯৬ জনের তথ্য পর্যালোচনা শেষ হয়েছে।

পর্যালোচনা সম্পন্ন হওয়া মৃতদের মধ্য থেকে ৪০ শতাংশ বা ৩৯ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে হয়নি বলে নিশ্চিত হয়েছে আইইডিসিআর। এই ৩৯ জনের মৃত্যুকে সন্দেহজনক ডেঙ্গুতে মৃত্যু বলে হাসপাতাল থেকে তথ্য দেওয়াকে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনো না কোনো ভুল মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। এ ক্ষেত্রে ভুল ডায়াগনসিস অন্যতম কারণ বলে প্রতীয়মান হয়েছে ওই প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের কাছে।

আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘কোনো না কোনো ভুল ডায়াগনসিসের কারণেই অন্য রোগের মৃত্যুকেও ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে বলা হচ্ছে। এমনকি স্ট্রোক কিংবা প্রসূতি নারীর একলাম্পশিয়ায় মৃত্যুকেও কোনো কোনো হাসপাতাল ডেঙ্গুতে মৃত্যু বলে উল্লেখ করেছে। যা একদিকে রোগীর স্বজন অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তির তৈরি হচ্ছে। তবে রোগীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের নীতিগত বিধিনিষেধের কারণে এ ধরনের কোনো রোগীরই নাম-পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘তার পরও আমরা আরো ভালো করে দেখব অন্য কী কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে সেটা ঠিক এখনই করা সম্ভব হচ্ছে না—এ ক্ষেত্রে অনেকটা সময় লাগবে। কারণ এখন আগে আমরা ডেঙ্গুর বিষয়টিই নিশ্চিত হওয়ার কাজ করছি।’

এ রোগতত্ত্ববিদ বলেন, ‘মৃত অনেকের ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পেয়েছি তাদের এনএস-১ কিংবা আইজিএম নেগেটিভ ছিল, কিন্তু আইজিজি পজিটিভ হওয়ায় তাদেরও ডেঙ্গুতে মৃত্যু হিসেবে ধরেছে কোনো কোনো হাসপাতাল। কিন্তু সব চিকিৎসক বা হাসপাতালের এটা জানা থাকার কথা যে আইজিজি হচ্ছে আগে কখনো ওই রোগী ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিন্তু এখন তার ডেঙ্গু ছিল না। আর এখন যদি ডেঙ্গু না থাকে তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গু বলা যায় না। বরং এ ক্ষেত্রে ওই রোগীর অন্য যে সমস্যা ছিল সেটাকে শনাক্ত করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। আবার মৃত্যুর কারণ হিসেবে সেটাই উল্লেখ করতে হবে।’

জানা গেছে, চার দিন পর আরো আটজনের মৃত্যুর তথ্য পর্যালোচনা শেষ করেছে আইইডিসিআর। এর আগে গত ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ৮৮ জনের মৃত্যুর তথ্য পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়েছিল। ওই দিন পর্যন্ত ৫২ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে হয়েছে বলে নিশ্চিত করে আইইডিসিআর।

এদিকে ঢাকার চেয়ে ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমছে ধীরগতিতে। এমনকি আগস্টের প্রথমদিকে যেসব এলাকায় প্রাদুর্ভাব কম ছিল, শেষের দিকে এসে ওই এলাকায় আক্রান্তের হার বেড়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে খুলনা বিভাগে রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে জেলা হিসেবে যশোরে আক্রান্ত বেশি বলে জানিয়েছে আইইডিসিআর।

নতুন ভর্তি ৭৬০, ৩৭ দিনে সর্বনিম্ন : সারা দেশের ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরো কিছুটা কমে এসেছে। যদিও প্রতি শুক্রবারেই ওই সংখ্যা অন্য দিনগুলোর তুলনায় অনেকটাই কম থাকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুসারে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ৭৬০ জন, যা ৩৭ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল ছেড়ে গেছে ৫৯২ জন। এ নিয়ে ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা হয়েছে ৭০ হাজার ১৯৫ জন। আর বাড়ি ফিরে গেছে ৬৫ হাজার ১৫০ জন। হাসপাতালে ভর্তি ছিল চার হাজার ৮৬০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ্্ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার জানান, গতকাল সকাল ৮টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ভর্তি হয়েছে ৩৪৯ জন ও ঢাকার বাইরে ৪১১ জন। এর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫৬ জন ও মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫৪ জন। একই সময়ে ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩২ জন। আর বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে খুলনা বিভাগে ১২১ জন।

Sharing is caring!

Advisory Editor
Kazi Sanowar Ahmed Lavlu
Editor
Nurul Afsar Mazumder Swapan
Sub-Editor
Barnadet Adhikary 
Dhaka office
38 / D / 3, 1st Floor, dillu Road, Magbazar.
Chittagong Office
Flat: 4 D , 5th Floor, Tower Karnafuly, kazir deori.
Phone: 01713311758

পুরানো খবর

মার্চ 2020
শনি রবি সোম বুধ বৃহ. শু.
« ফেব্রু.    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

ছবি ঘর

    WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com