Monday, 13/7/2020 | : : UTC+6
Green News BD

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

Post by relatedRelated post

কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ে ২৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকা ব্যয়ে তিনটি মুভিং মিডিয়ান (রাস্তার মাঝখানে টানা গেট) তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এক মাসও এগুলো ব্যবহার করা যায়নি। এখন কার্যত এগুলো পরিত্যক্ত হয়ে আছে। ডিএনসিসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে মিডিয়ান তিনটি নির্মাণ করা হয়। প্রতিটিতে গড়ে প্রায় ৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়।তিনটি টানা গেটের দুটি সোনারগাঁও হোটেলের মোড়ে সার্ক ফোয়ারার উত্তর ও দক্ষিণ পাশে। বাকিটি ফার্মগেট পুলিশ বক্সের সামনে। এগুলো তৈরির উদ্দেশ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচলের সময় ব্যস্ত মোড়গুলোয় ডাইভারসনের (বিকল্প পথে চলাচল) ব্যবস্থা করা।

এর আগে উল্টোপথে যানবাহন চলাচল ঠেকাতে ২০১৪ সালে হেয়ার রোডে কাঁটাযুক্ত বিশেষ এক প্রতিরোধক যন্ত্র বসিয়েছিল পুলিশ। ১২ দিনের মাথায় ৫ লাখ টাকার এই যন্ত্র অচল হয়ে যায়। এরপর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরের একটু সামনে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সড়কে আরেকটি প্রতিবন্ধক বসানো হয়। সেটা বেশ কিছুদিন সচল ছিল।

তেমনই বিমানবন্দর ও বনানীতে স্থাপন করা ফুট ওভারব্রিজের চার চলন্ত সিঁড়ি (এস্কেলেটর) চলছে না। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বনানী ফুটওভার ব্রিজের চলন্ত সিঁড়ি এখন কোনো কাজেই আসছে না। হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাতে ওই ফুট ওভারব্রিজ থাকে মাদকসেবী, টোকাই ও ভবঘুরেদের দখলে। চলন্ত সিঁড়ির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হরাইজন টেকনোর ব্যবস্থাপক আহসান হাবীব বলেন, বিমানবন্দরের চলন্ত সিঁড়িটির এক বছরের ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ। চলন্ত সিঁড়িতে বাড়তি লোড পড়ছে, প্রতিঘণ্টায় এই সিঁড়িতে সাড়ে ছয় হাজারের কিছু বেশি মানুষ চলাচল করতে পারে। কিন্তু বিমানবন্দর এলাকায় প্রতিঘণ্টায় সিঁড়ি ব্যবহার করে ১২ থেকে ১৫ হাজার মানুষ। এই বাড়তি লোডের কারণে ২৫ দিন ধরে একটি বেল্ট ড্যামেজ হয়েছে। মালয়েশিয়া থেকে সেটা আসার আগ পর্যন্ত এক পাশের সিঁড়ি বন্ধ থাকবে। বনানীর ফুটওভার ব্রিজে গিয়ে দেখা গেছে, সেটিরও পূর্ব পাশের সিঁড়িটি বন্ধ। তালা দিয়ে রাখা হয়েছে। পশ্চিম পাশেরটি চলছে। এ বিষয়ে হাবীব বলেন, তিন বছর ধরে চলছে। বেল্টের ড্রাইভ ক্ষয় হয়েছে। এর আগেও একবার হয়েছিল, তখন আমরা ওয়ার্কশপে নিয়ে সারিয়ে দিয়েছি। প্রতিটি ড্রাইভ মেরামত করতে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আমরা ডিএনসিসিকে এটা ঠিক করতে বলেছি। তারা বলছে, সারিয়ে দিন, আমরা টাকা পরে দেব। কিন্তু এর আগে কয়েকবার বিভিন্ন কাজ করেছি। সেই টাকা পাইনি। আমরা ডিএনসিসিকে বলছি, আমরা অফার লেটার দিয়েছি, আপনারাও ওয়ার্ক অর্ডার পাঠান।

এইভাবেই পড়ে থাকে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নির্মান-স্থাপনা। মুভিং মিডিয়ান বা টানা গেটের ব্যবহারকারী পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যথাযথ নকশা না করা ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করায় মিডিয়ানগুলো কাজ করছে না। কোনকিছু নির্মানের আগে তার ব্যয় ও তদারকির সব ব্যবস্থা না করেই নির্মান করা হলে তা ভেস্তে যেতে বাধ্য। সরকারী ব্যবস্থাপনার এই গলদ যতদিন ঠিক না হবে ততদিন আমাদের এই ভোগান্তি থেকেই যাবে।

Sharing is caring!

Advisory Editor
Kazi Sanowar Ahmed Lavlu
Editor
Nurul Afsar Mazumder Swapan
Sub-Editor
Barnadet Adhikary 
Dhaka office
38 / D / 3, 1st Floor, dillu Road, Magbazar.
Chittagong Office
Flat: 4 D , 5th Floor, Tower Karnafuly, kazir deori.
Phone: 01713311758

পুরানো খবর

জুলাই 2020
শনি রবি সোম বুধ বৃহ. শু.
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

ছবি ঘর

    WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com