দূর্নীতিতে এখনো এগিয়ে আছে দেশ

লালমনিরহাট শহরের খোচাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের হোটেলকর্মী নুর নাহার বেগমের ঘরে একটি বাল্ব আর একটি ফ্যান। গত আগস্ট মাসে তাঁর বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২ হাজার ১৫৪ টাকা। খোচাবাড়ী মাস্টারপাড়া এলাকায় রেললাইন পার হয়ে পাকা রাস্তার এক পাশে নুর নাহারের চৌচালা টিনের ঘর। বাড়ির বাইরে বিদ্যুতের ডিজিটাল মিটার লাগানো রয়েছে। এক হাজার রিডিংয়ে এসে মাস খানেক আগে মিটারটি থেমে আছে বলে নুর নাহার জানালেন। নুর নাহারের ঘরে বাল্বের দুটি পয়েন্ট থাকলেও একটিতে থাকা এনার্জি বাল্ব নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। তবে অন্যটি কাজ করছে। আর ঘরের বাঁশের সঙ্গে ঝোলানো সিলিং ফ্যান।

গতকাল শনিবার নুর নাহার চলতি বছরের এপ্রিল থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত তাঁর বাড়ির বিদ্যুতের বিলের কাগজ নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ ও সাংবাদিকসহ অনেকের কাছে ছুটে যান। আজ রোববার ছিল বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ তারিখ। নুর নাহার বেগমের এপ্রিল মাসে ৪০ ইউনিটের বিদ্যুতের রিডিংসহ অন্যান্য খাত মিলিয়ে মোট বিল আসে ১৬৬ টাকা; মে মাসে ৪০ ইউনিটের বিল আসে ১৬৭ টাকা, জুন মাসে ৫০ ইউনিটের বিল আসে ২০১ টাকা, জুলাই মাসে ৫০ ইউনিটের বিল আসে ২০২ টাকা। আর আগস্ট মাসে ৪০০ ইউনিটের (বর্তমান রিডিং ১২৪০, পূর্বের রিডিং ৮৪০ উল্লেখ করে) বিদ্যুতের রিডিংসহ অন্যান্য খাত মিলিয়ে মোট বিল আসে ২ হাজার ১৫৪ টাকা।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসনাত জামান আজ রোববার বিকেলে বলেন, ‘আগস্ট মাসের বিদ্যুতের বিলের কাগজসহ লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এর বাইরে তিনি আর কিছু বলতে রাজি হননি।

Sharing is caring!

Related Articles

Back to top button